কুয়েতের গুরুত্বপূর্ণ জ্বালানি স্থাপনাগুলোতে ইরানের ড্রোন হামলায় বড় ধরনের বস্তুগত ক্ষয়ক্ষতির খবর পাওয়া গেছে। কুয়েত পেট্রোলিয়াম কর্পোরেশন (কেপিসি) জানিয়েছে, রোববার (৫ এপ্রিল) তাদের বেশ কিছু স্থাপনা লক্ষ্য করে এই ড্রোন হামলা চালানো হয়, যার ফলে সংশ্লিষ্ট এলাকাগুলোতে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডের সৃষ্টি হয়েছে।
বিবৃতিতে জানানো হয়েছে, কুয়েত ন্যাশনাল পেট্রোলিয়াম কোম্পানি এবং পেট্রোকেমিক্যাল ইন্ডাস্ট্রিজ কোম্পানির স্থাপনাগুলো এই হামলার মূল লক্ষ্যবস্তু ছিল। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম এক্স-এ দেওয়া এক বার্তায় কর্তৃপক্ষ নিশ্চিত করেছে, হামলায় এখন পর্যন্ত কোনো প্রাণহানির খবর পাওয়া যায়নি। তবে অগ্নিকাণ্ড নিয়ন্ত্রণে এবং পরিস্থিতি স্থিতিশীল করতে বিশেষায়িত দলগুলো নিরলস কাজ করে যাচ্ছে।
কুয়েতের রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যমের প্রতিবেদন জানায়, হামলার প্রভাব কেবল জ্বালানি খাতের ওপরই সীমাবদ্ধ থাকেনি। ইরানের ড্রোন হামলায় দুটি বিদ্যুৎ উৎপাদন কেন্দ্র এবং সমুদ্রের পানি লবণমুক্ত করার (ডেসালিনেশন) প্ল্যান্টও মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।
এই ঘটনার ফলে কুয়েতের অভ্যন্তরীণ জ্বালানি ও পানি সরবরাহ ব্যবস্থায় বড় ধরনের বিঘ্ন ঘটার আশঙ্কা করা হচ্ছে। মধ্যপ্রাচ্যে চলমান উত্তেজনার মধ্যে এই হামলা আঞ্চলিক নিরাপত্তা পরিস্থিতিকে আরও সংকটাপন্ন করে তুলেছে।


